বাকেরগঞ্জ ছোট্ট শিশু ফাতিমা এখন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।

বাকেরগ উপজেলা
দুর্গপাশা ইউনিয়নের
বাসিন্দা।
মোঃ সাইদুর মৃধার
মেয়ে ফাতিমা তিন বছর।
ছোট্ট শিশু ফাতিমার গ্রামের বাড়ি গোবিন্দপুর এলাকায়।

সূত্রে জানা যায় ছোট্ট শিশু ফাতিমার পিতা মোঃ সাইদুর মৃধার সাথে দীর্ঘদিন পর্যন্ত
হুমকি ধামকি দিয়ে আসছেন।

মোঃ সাইদুর মৃধার
বসত ঘরে ঢুকে
হামলা করেন।

মোঃ মুন্না তালুকদার
ও তাহার ভাই ফাহাদ তালুকদার
উভয় পিতা হারুন তালুকদার
গ্রামের বাড়ি একই এলাকায়।

ঘটনার সূত্রে জানা যায় ৪/৩/২০২৪ তারিখ রোজ সোমবার আনুমানিক
১০ টার দিকে
ছোট্ট শিশু ফাতেমার
পিতা মোঃ সাইদুরের
বসত ঘরে ঢুকে মুন্না তালুকদার তার ভাই আবু ফাহাদ তালুকদার
বাংলা দাও ও রাম দাও দিয়ে এলোপাতাড়ি ভাবে আঘাত করে।
পিতা সাইদুর মৃধার
ডাক চিৎকারে
ছোট্ট শিশু ফাতিমা
ঘটনায় স্থানে গেলে
পিতা সাইদুর মৃধার
কে লক্ষ্য করে কোপ দিলে ঐ কোপ ছোট্ট শিশু ফাতিমার মাথায় পড়ে।
এছাড়া এলোপাতাড়ি ভাবে সাইদুর মৃধা কে পিটালে ছোট্ট শিশু ফাতিমার শরীরে লাগে।
ছোট্ট শিশু ফাতিমার মাথায় ও কোপ দেয়। আবু ফাহাদ তালুকদার ও তার ভাই মুন্না তালুকদার রাম রাম দাও দিয়ে সাইদুরের মাথা লক্ষ্য করে আঘাত দিলে
ওই বাড়ি ছোট্ট শিশু ফাতিমার মাথায় লাগে এতে ছোট্ট শিশু ফাতিমা রক্তাক্ত হয়ে পড়ে।
আরো জানা যায় ছোট্ট শিশু ফাতেমার
শড়ীরের বিভিন্ন অংশে
নীলা ফুলা ও যখন দেখা যায়।
ছোট্ট শিশু ফাতিমার বাসার বারান্দায়
এই ঘটনা ঘটে।
গোবিন্দপুর ভূমি অফিসের পূর্ব পাশে থাকা মোঃ সাইদুর মৃধার বসত ঘরে।
এলাকার সূত্রে জানা যায়। ফাহাদ তালুকদার ও তার ভাই মুন্না তালুকদার
তারা ওই এলাকার
সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিতি।
এদের ভয়ে কোন লোক কথা বলতে চায় না্
এদের পিতা মোঃ হারুন তালুকদার বলেন আমি ছেলেদের ভয়ে মুখ খুলতে পারিন ।

ছোট্ট শিশু ফাতেমাকে চিকিৎসার জন্য
কালিশুরী সোলেভ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সোলভ হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে্ বাংলা মেডিকেল কলেজে
পাঠানো হয়।
ওই এলাকার লোকজন অভিযোগ করে বলেন
ছোট্ট শিশু ফাতিমা এখন
বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজে ভর্তি আছেন।
এবং ছোট্ট শিশু ফাতিমার পরিবার থেকে বলেন
ফাতিমার এখনো জ্ঞান ফেরে নাই।
এ বিষয়ে বাকেরগঞ্জ ভারপ্রাপ্ত ওসি আফজাল হোসেন বলেন এখন পর্যন্ত আমি কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি।
আরো বলেন আমি
কাকরধা ফারীর এসআই আরিফ হোসাইন কে পাঠিয়ে ঘটনার সত্যতা যাচাই করছি ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *